
মোঃ ফজলুল হক, স্টাফ রিপোর্টার :
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে অসময়ে নদী ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। এতে আতঙ্কে রয়েছে নদী তীরবর্তী মানুষ। গত কয়েকদিনে এলাকার ৪০০ ঘরবাড়ি নদীতে বিলিন হয়েছে। খোলাবাড়ি -দেওয়ানগঞ্জ ও ফুলছড়ি এরেন্ডাবাড়ি সড়ক চরম হুমকিতে রয়েছে। ভাঙ্গন প্রতিরোধে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
ভাঙ্গন এলাকায় সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, রাক্ষসী যমুনা এর আগে চর ডাকাতিয়া পাড়া, খোলাবাড়ি, আদর্শ গ্রাম, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় -২, খোলাবাড়ি হাট, কমিউনিটি ক্লিনিক, মসজিদ, খোলাবাড়ি হাই স্কুল, খোলাবাড়িহাট, এ ছাড়াও এলাকার আরো ৪০০ ঘর- বাড়ি খেয়ে এখন যমুনা খোলাবাড়ি’র হুদার মোড়ে। /চরমাগুরি হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরডাকাতিয়া পাড়া-খোলাবাড়ী সংযোগ সড়ক সেতু,এ ছাড়া হাজারীপাড়া কালভার্ট, বন্যা আশ্রয়ন কেন্দ্র, বওলাতলীর গুচ্ছগ্রাম, কাজলাপাড়া মৌজা, বড়খাল, রামপুরা মৌজা’র অবশিষ্টাংশও চরম হুমকির মুখে পড়েছে।
শুক্রবার ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় গেলে, চরডাকাতিয়াপাড়ার আবুল কাশেম জানান, আমার ৩০ বিঘা জমি, আবু সেখ এর ২১ বিঘা, মোজাফফরের ১৮ বিঘা, আবু হানিফ মেম্বারের ১০০ বিঘার উপরে এছাড়াও আরো অনেকের শত শত বিঘা ফসলী জমি ঘর- বাড়ি নদীর গর্ভে চলে গেছে।
দেওয়ানগঞ্জ-খোলাবাড়ি ও খোলাবাড়ি- এরেন্ডা বাড়ি সড়ক দু’টি যমুনার থাবার মুখে রয়েছ।
ভাঙ্গন এলাকায় সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, রাক্ষসী যমুনা এর আগে চর ডাকাতিয়া পাড়া, খোলাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় -২, চরমাগুরি হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরডাকাতিয়া পাড়া সেতু, হাজারীপাড়া কালভার্ট, বন্যা আশ্রয়ন কেন্দ্র, বওলাতলীর গুচ্ছগ্রাম, কাজলাপাড়া, বড়খাল, রামপুরা মৌজার অবশিষ্টাংশ চরম হুমকির মুখে পড়েছে।
দ্রুত সময়ের মধ্যে ভাঙ্গন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে সড়ক দু’টি নদীর গর্ভে চলে যাবে। এ জন্য আসন্ন গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটাররা দু’টি কেন্দ্রে ভোট দিতে যেতে পারবে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।