
কাজী আসাদুজ্জামান : ২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বিকাল ৪ ঘটিকায় রাজধানীর মতিঝিল কিচেন ইয়ার্ড চাইনিজ রেস্টুরেন্ট “সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন”-এর কেন্দ্রীয় কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন মোঃ দেলোয়ার হোসেন, প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন সংচলনায় করেন, তালুকদার রুমি, সাধারণ সম্পাদক, সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন। প্রধান আলোচক হিসেবে আলোচনা করেন ওমর ফারুক জালাল, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট। সভায় সংগঠনের চলমান কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয় এবং সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, মোঃ মনিরুজ্জামান মিয়া, ভাইস প্রেসিডেন্ট, টিকে আজাদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট, নুরুনাহার রিতা, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, সোহেলী জামান, রোকেয়া আক্তার কেয়া, কাজী আসাদুজ্জামান রনী, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক, কার্যকরী সদস্য, মাসুদ মজুমদার, মোঃ কামাল হোসেন, গোহেল রানা, মোঃ বাবুল মিয়া, মোঃ নজরুল ইসলাম খোকন, মুক্তার হোসেন সহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সাংবাদিকগন।
সাধারণ সম্পাদক জনাব তালুকদার রুমি বলেন, বাংলাদেশের সাংবাদিক সমাজ দীর্ঘদিন ধরে কর্মক্ষেত্রে সহিংসতা, হুমকি ও হয়রানির শিকার হয়ে আসছে। মাঠপর্যায়ে সংবাদ সংগ্রহ কিংবা প্রভাবশালী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম উন্মোচনের সময় সাংবাদিকদের হামলা, মামলা ও ভয়ভীতির মুখোমুখি হতে হয়। এ প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। তৃণমূল থেকে শুরু করে কর্মরত সাংবাদিকদের জন্য নিরাপত্তা ও আইনি সহায়তা প্রদানের বিষয়টি সভায় গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাব ওমর ফারুক জালাল বলেন অসুস্থ ও দুস্থ সাংবাদিকদের আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং তাদের সন্তানদের জন্য শিক্ষাবৃত্তি চালুর লক্ষ্যে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বলেন
সাংবাদিকদের তথ্যভিত্তিক একটি জাতীয় ডাটাবেইজ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করা হয়। এ ডাটাবেইজে অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (PIB) অথবা বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল অনুমোদিত প্রশিক্ষণের সনদ বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করা হয়। এর ফলে প্রকৃত সাংবাদিক সনাক্তকরণ সহজ হবে এবং ভুয়া পরিচয়ে অপকর্ম প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। তিনি আরও বলেন সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি কার্যকর “সাংবাদিক সুরক্ষা আইন” প্রণয়নের ওপর জোর দেওয়া হয়।এ ধরনের আইন বাস্তবায়িত হলে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
সভায় নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করেন, প্রস্তাবিত পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়িত হলে দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আরও সুসংহত হবে এবং সাংবাদিকদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাবে।