বৃহস্পতিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২১, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, বিকাল ৩:৩৯

কেশবপুরে গ্যাস সিলিন্ডারের সরকারি দাম নির্ধারণ মানছে না ব্যবসায়ীরা

যশোর ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি : গ্যাস সিলিন্ডারের দাম সরকার নির্ধারন করলেও মানছে না যশোর কেশবপুরের অধিকাংশ ব্যবসায়ীগন। এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের (১২.৫ কেজি) সরকারি বিক্রয় মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে ৬০০ টাকা। কিন্তূ কেশবপুর হাট বাজারসহ বিভিন্ন বাজারগুলোতে সরকারের এই নির্দেশ কেউ মানছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এলপি গ্যাস ক্রয় করতে আসা রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রচারে বা বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যোমে শোনা যাচ্ছে এলপি গ্যাসের দাম সরকার নাকি ৬০০ টাকা নির্ধারণ করেছে কিন্তু বাজারে এসে দেখি আগের দামেই বিক্রয় হচ্ছে এলপি গ্যাস।
সরকারের নির্দেশ অমান্য করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সাধারন মানুষের কাছ থেকে গ্যাস সিলিন্ডার প্রতি ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকা মূল্য নিচ্ছে।
এই দূর্যোগপূর্ণ দুঃসময়ে জনসাধারণের সাথে এমন প্রতারণা করা মোটেও সমীচিন নয়।
এছাড়াও, কেশবপুর উপজেলায় মোড়ে মোড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার। অনুমোদন ছাড়াই বহু দোকানে এই ব্যবসা চলছে। রাস্তার ধারে যেনতেনভাবে ফেলে রাখা হচ্ছে সিলিন্ডার। এতে যে কোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকলেও এ নিয়ে প্রশাসনের কোনো পদক্ষেপ নেই। এ ব্যাপারে মূল দায়িত্ব বিস্ফোরক পরিদপ্তরের হলেও তাদের কোনো তদারকি নেই।
কেশবপুর উপজেলা রাস্তায় দেখা যায় দুই তিনটি দোকান যেখানে ইলেকট্রনিক্স, উপহার সামগ্রী দোকান, শোরুমের সাথে চলছে গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবসা।শহরের বাইরেও সব জায়গায় সিলিন্ডার গ্যাস। ব্যাপক চাহিদা আর লাভের বিষয়টি মাথায় রেখে কেশবপুর প্রতিনিয়ত বাড়ছে এর ব্যবসা। সময়ের সঙ্গে ডিলার যেমন বেড়েছে, সেই সঙ্গে শহরের পানের দোকান, মুদির দোকান থেকে শুরু করে ছোট-বড় দোকানিরা খুলে বসেছে সিলিন্ডার ব্যবসা। সরেজমিনে দেখা যায়, নির্দিষ্ট গুদামে না রেখে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় খোলা স্থানে রাখা হয়েছে গ্যাস সিলিন্ডার। রাস্তার পাশেই চলছে বিক্রি। বর্তমানে এই ব্যবসা শহর গ্রামের অলিগলিতেও পৌঁছে গেছে। আবাসিক এলাকাতেও যত্রতত্র এলপি গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ রাখা হচ্ছে। ফলে যে কোনো মুহূর্তে দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এসব দোকানের বেশিরভাগ অনুমোদনহীন। যারা অনুমোদন নিয়েছে তারাও মানছে না নিয়মনীতি।কেশবপুর উপজেলার হাসানপুর, প্রতাপপুর, ভান্ডার খোলা, সাগর দাঁড়ি, চিংড়া, ত্রিমোহনী, পাজিয়া, মঙ্গল কোট বাজার ঘুরে দেখা গেছে গ্যাস সিলিন্ডারের বিক্রয় করতে গেলে অগ্নিনির্বাপক এর সিলিন্ডার নেই কোন দোকানে। ফলে কেশবপুর উপজেলার প্রায় দোকানদার ও ক্রেতারা ঝুঁকির মধ্যে আছে। এসব দোকানে  ভোক্তা অধিকার আইনে অভিযান পরিচালনার দাবী জানিয়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।

সংবাদটি শেয়ার করুন...

Developed by: Engineer BD Network