

স্টাফ রিপোর্টার: যুক্তরাষ্ট্র শুক্রবার রাতে ইরানে কোনো হামলা চালায়নি। অন্যদিকে ইরানের আধাসামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) হরমুজ প্রণালিতে আরো দুটি জ্বালানি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানোর দাবি করেছে। কুয়েত জানিয়েছে, তারা নিজেদের আকাশসীমায় প্রবেশ করা ড্রোন ভূপাতিত করেছে হোয়াইট হাউজ গতকাল ইঙ্গিত দিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর নতুন করে হামলা চালানোর বিষয়টি বিবেচনা করছেন। একই সঙ্গে তেহরানের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে ওয়াশিংটন, যাতে তারা হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেয় এবং যুদ্ধবিরতি-সংক্রান্ত সমঝোতার শর্তগুলো মেনে চলে। খবর এপি। যুক্তরাষ্ট্র শুক্রবার রাতে ইরানে কোনো হামলা চালায়নি। অন্যদিকে ইরানের আধাসামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) হরমুজ প্রণালিতে আরো দুটি জ্বালানি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানোর দাবি করেছে। কুয়েত জানিয়েছে, তারা নিজেদের আকাশসীমায় প্রবেশ করা ড্রোন ভূপাতিত করেছে।এদিকে হামাস গতকাল নিশ্চিত করেছে, তারা নিরস্ত্রীকরণে রাজি হয়েছে। গাজা যুদ্ধের অবসানের পথে এটি সম্ভাব্য বড় অগ্রগতি হলেও এখনো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাধা রয়ে গেছে। হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট গতকাল এক বিবৃতিতে বলেন, গত মাসে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির একটি সমঝোতা স্মারকে সই করেছিল। কিন্তু এরপরই তারা সেই সমঝোতা ভঙ্গ করে, বাণিজ্যিক জাহাজে গুলি চালায় এবং মার্কিন সেনাদের হত্যা করে।লেভিট বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চলতে দেবেন না। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যাকে অর্থবহ আলোচনায় ফিরে আসা বলে মনে করেন, ততক্ষণ পর্যন্ত ইরানকে এর মূল্য দিতে হবে। এর আগে মেরিল্যান্ডের ক্যাম্প ডেভিডে মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকের সময় ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান আরো কিছু সময় চলতে পারে। তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের খুব কঠোরভাবে আঘাত করব। একসময় তারা বলবে, আমরা আর সহ্য করতে পারছি না। একই দিন আইআরজিসি জানিয়েছে, বিশ্বে জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী দুই তেলবাহী ট্যাংকারেও হামলা চালিয়েছে। চলমান সংঘাতের কারণে প্রণালিটি কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। এছাড়া আরো চারটি ট্যাংকার পথ পরিবর্তন করে ফিরে গেছে বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। তবে ট্যাংকারগুলোর মালিকানা বা কোনো হতাহতের তথ্য জানানো হয়নি। কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের সশস্ত্র বাহিনী কুয়েতের আকাশসীমায় প্রবেশ করা ড্রোন ভূপাতিত করেছে। ইরানের হামলার লক্ষ্য ছিল কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা। ড্রোন ধ্বংসের পর ছিটকে পড়া ধ্বংসাবশেষে কিছু অবকাঠামোগত ক্ষতি হলেও কেউ হতাহত হয়নি। কতটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে, তা জানানো হয়নি। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের দাবি, গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের চালানো হামলার জবাবে কুয়েতের একটি বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।

Posted ৭:৩২ অপরাহ্ণ | শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক গণবার্তা | Gano Barta


