স্টাফ রিপোর্টার : হামলায় প্রাণে বাঁচলেও ‘সামান্য’ আহত হন মাসুদ পেজেশকিয়ান। তেহরানের অভিযোগ, প্রেসিডেন্টকে হত্যা করার জন্য এ হামলা চালানো হয়েছিল। ইরান ও ইসরায়েলের সংঘাতের সময় আহত হয়েছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ইরানের একজন জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা জানান, সংঘাত চলাকালে রাজধানী তেহরানে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান। সেখানেই হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। খবর বিবিসি। ইরানী সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজের বরাতে বিবিসি জানিয়েছে, হামলায় প্রাণে বাঁচলেও ‘সামান্য’ আহত হন মাসুদ পেজেশকিয়ান। তেহরানের অভিযোগ, প্রেসিডেন্টকে হত্যা করার জন্য এ হামলা চালানো হয়েছিল। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই সরকারি কর্মকর্তা জানান, ইরান সরকারের তিন বিভাগের শীর্ষ নেতাদের হত্যার জন্য ওই হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েল। ইরানের সরকারব্যবস্থাকে উৎখাত করা ছিল হামলার উদ্দেশ্য। ওই দিন তেহরানে সরকারের নির্বাহী, আইন ও বিচার বিভাগের প্রধানসহ অন্যান্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান। দুপুরের আগে আগে বৈঠক চলার সময় হামলার ঘটনা ঘটে। ইসরায়েলি হামলায় ভবনটির ছয়টি প্রবেশ ও নির্গমন পথ ধ্বংস হয়, বন্ধ হয়ে যায় বায়ুচলাচল ব্যবস্থাও। কেন্দ্রটিতে বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। একটি জরুরি নির্গমন পথ ব্যবহার করে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানসহ সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের ভবনটি থেকে নিরাপদে বের করে আনা সম্ভব হয়। বের হওয়ার সময় প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের পায়ে ‘সামান্য’ চোট লাগে বলেও জানা গেছে। ইরানের প্রেসিডেন্টও প্রথমবারের মতো গত সোমবার এক সাক্ষাৎকারে হামলার বিষয়টি প্রকাশ্যে এনেছেন। গত সপ্তাহে মার্কিন উপস্থাপক টাকার কার্লসনকে দেয়া একটি সাক্ষাৎকার পেজেশকিয়ান বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র আমার প্রাণনাশের চেষ্টা করেনি, এটা ছিল ইসরায়েলের কাজ। আমি তখন একটি বৈঠকে ছিলাম, তারা সেখানে বোমাবর্ষণের চেষ্টা করেছিল
Posted ২:৩৮ অপরাহ্ণ | সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫
দৈনিক গণবার্তা | Gano Barta