শুক্রবার, ১২ আগস্ট ২০২২, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৯, সকাল ৮:০৬
শিরোনাম :
বঙ্গবন্ধুর মাজারে বাংলাদেশ সম্পাদক ফোরামের শ্রদ্ধা নিবেদন জাতীয় শোক দিবসে পতাকা উত্তোলন বিষয়ক নির্দেশনা দেশের সমুদ্র বন্দরসমূহে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত গৃহহীনদের ঘর দেওয়া বর্তমান সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ : পরিকল্পনামন্ত্রী তাজিয়া মিছিলের মধ্য দিয়ে পবিত্র আশুরা পালিত  স্বাধীনতা সংগ্রামে বঙ্গমাতার নেপথ্য ভূমিকা তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী আগামী দিনের নারীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবেন বঙ্গমাতা: স্পিকার  নির্বাচন হতে না দেয়ার আস্ফালন করে লাভ নেই : ওবায়দুল কাদের ওয়ান ব্যাংক ও ম্যাক্সিস সিস্টেমসের চুক্তি স্বাক্ষর বঙ্গমাতার জন্মদিনে জনতা ব্যাংকের দোয়া মাহফিল
Logo

টিকাদানই সংক্রামক বা ছোঁয়াচে রোগ মোকাবিলার অন্যতম উপায় : প্রধানমন্ত্রী



টিকাদানই সংক্রামক বা ছোঁয়াচে রোগ মোকাবিলার অন্যতম উপায় : প্রধানমন্ত্রী
https://ganobarta.com/archives/263

গণবার্তা ডেস্ক ॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, টিকাদানই সংক্রামক বা ছোঁয়াচে রোগ মোকাবিলার অন্যতম উপায় হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। তাই মানবজাতিকে করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা করতে তিনি দ্রুত টিকা উদ্ভাবনের আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত একটি ভার্চুয়াল বৈশ্বিক টিকা সম্মেলনে বলেন, চলমান কোভিড মহামারি প্রমাণ করেছে কোনো বৈশ্বিক দুর্যোগ মোকাবিলায় আমরা সত্যিকার অর্থে কতটা শক্তিহীন।

জাতিসংঘের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, প্রতি চার মাসে মানুষের মধ্যে একটি নতুন সংক্রামক রোগ দেখা দেয়। আর গ্লোবাল ভিরোম প্রজেক্টের অনুমিত হিসেব মতে প্রায় সাত লাখ ভাইরাস রয়েছে যেগুলো মহামারি ঘটাতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ভাইরাসের অনেকগুলো মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য হুমকির সৃষ্টি করতে পারে। তাই মানবজাতির টিকে থাকার জন্য বিদ্যমান ও আরো নতুন টিকার প্রয়োজন হবে। তিনি বলেন, সংক্রমণ প্রতিরোধে টিকা অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপায় হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।

তিনি বলেন, কেবল আমাদের সদিচ্ছাই জিএভিআইয়ের পূর্ণ তহবিল ও তাদের টিকাদান অবকাঠামো জোরদার নিশ্চিত করতে পারে এবং অতিরিক্ত ৩০ কোটি শিশুকে টিকাদান ও জিএভিআই সহায়তাপুষ্ট দেশগুলোর ৮০ লাখ পর্যন্ত মানুষের জীবন বাঁচাতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেবল আমি নই, সারা দুনিয়া জিএভিআইয়ের সহায়তায় আপনাদের বক্তব্য শুনতে অপেক্ষা করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব যখন করোনা মোকাবিলায় মরিয়া হয়ে একটি কার্যকর টিকা খুঁজছে তেমন সময় টিকা বিষয়ক সহায়তায় মিলিত হওয়ার চেয়ে উত্তম সময় আর হতে পারে না।

তিনি বলেন, লাখ লাখ শিশু ও গর্ভবতী মায়ের জীবন বাঁচিয়েছে এমন একটি উদ্যোগের একজন অংশীদার হিসেবে আমি আপনাদের সঙ্গে থাকতে পেরে আনন্দিত।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই অভিযাত্রায় সর্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা ও এসডিসিজ অর্জনে জিএভিআই বাংলাদেশের সময়ের সমীক্ষায় উত্তীর্ণ অংশীদার প্রমাণিত হয়েছে। অনুদান ছাড়া আমাদের সর্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা কর্মসূচি সফল হবে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, টিকাদান উদ্ভাবনে জিএভিআইয়ের সঙ্গে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ডিজিটাল স্বাস্থ্য তথ্য সিস্টেমই-এর অন্যতম অগ্রসর ব্যবহারকারী হিসেবে এ অঅঞ্চলে ডিজিটাইজিং এবং ডাটা সিস্টেম শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে অগ্রদূত হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা সিনপ্রিন্টস ও এনইসির সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে টিকাদান সেবা উন্নয়ন একটি শিশু বায়োমেট্রিক্স-এর ব্যবহারের বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশাল আর্থিক, সামাজিক ও পরিবেশগত ক্ষতির বিনিময়ে বাংলাদেশ মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কর্মীরা করোনা আক্রান্তের সংখ্যা সীমিত রাখতে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে সেখানে ৫ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ শরণার্থী শিবির।

অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, বারকিনা ফেশোর প্রেসিডেন্ট রোচ মার্ক ক্রিস্টিয়ান কাবোরে, ইথিউপিয়ার প্রেসিডেন্ট শাহলে ওয়ার্ক জিউডে, জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তনিও গুতেরেস, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক ড. টেডরোজ এ্যাডানোম গিব্রেসিউস এবং বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন...

Developed by: Engineer BD Network