

প্রায় পাঁচ বছর আগে সিনেমাটির কাজ করেছিলেন পরিচালক পিপলু আর খান। তখন চলছিল করোনাকালীন ঘরবন্দী সময়। সেই অসময়ে ঘরে আটকে পড়া মানুষের জীবনযাপনের চিত্রটাই ফুটিয়ে তোলার মানসে ছবিটির কাজ হাতে নেন তিনি। ছবির নাম ঠিক করেন ‘জয়া আর শারমিন’।
এতে অভিনয়ের পাশাপাশি পিপলুর সঙ্গে যৌথ প্রযোজক হিসেবেও যুক্ত হন বরেণ্য অভিনেত্রী জয়া আহসান। ছবিতে শারমিন চরিত্রে অভিনয় করেছেন মহসিনা আক্তার। দীর্ঘদিন পর ছবিটি আলোচনায় এসেছে মুক্তিকে কেন্দ্র করে।
পরিচালক নিশ্চিত করেছেন, আগামী মাসে মুক্তি পাবে ‘জয়া আর শারমিন’। তবে কোনো দিন তারিখ নির্দিষ্ট করে জানাননি।
সেইসঙ্গে জানান, মাস খানেক আগেই সিনেমাটি চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে।
২০২০ সালে করোনার সময়ে দেশজুড়ে যখন লকডাউন চলছে, তখন অন্য আর দশজন মানুষের মতোই অভিনেত্রী জয়া আহসান শুরু করেন ঘরবন্দী জীবন। সেই জীবনে বৈচিত্র্য খুঁজতে অনলাইনে বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি রাজপথে খাবারের অভাবে থাকা প্রাণিদের বাঁচাতে কাজ করেছেন। তখন নিজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘সি তে সিনেমা’ থেকে একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা নির্মাণের পরিকল্পনা থাকলেও কাজটি শুরুর পর বদলে যায় পরিকল্পনা, স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমাটি রূপ নেয় ফিচার ফিল্মে। তখন বিষয়টি নিয়ে কিছু জানাননি জয়া।
২০২২ সালে অভিনেত্রী জানান, তারা ‘জয়া আর শারমিন’ নামের একটি সিনেমার শুটিং শেষ করেছেন। এরপর আর কোনো খবর পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে গত শনিবার সিনেমার ফার্স্টলুক পোস্টার শেয়ার করে জানানো হয়, শিগগির আলোর মুখ দেখবে সিনেমাটি।
সিনেমার গল্প নিয়ে পিপলু আর খান বলেন, ‘জয়া ও তার সহকারী শারমিনের সম্পর্কের উত্থান-পতনের গল্প নিয়ে এই সিনেমা। কোভিডের সময়ে, এক বাড়িতে আটকে পড়া দুই নারী নিজেদের জন্য তৈরি করে নেয় ছোট্ট এক জগৎ। কিন্তু বাইরের ভীতিকর বাস্তবতায় তা ধীরে ধীরে ফিকে হতে থাকে, ফাটল ধরতে শুরু করে তাদের ভেতরকার সম্পর্কেও। বন্ধুত্ব, ভয়, সাহস আর হারানোর অনুভূতির মধ্যে গড়ে ওঠা এক আন্তরিক আখ্যান ‘জয়া আর শারমিন’।’
করোনার সময়ে মাত্র ১৫ দিনে হয়েছিল ‘জয়া আর শারমিন’ সিনেমার শুটিং। এতে একটি বিশেষ চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেত্রী তানজিম সাইয়ারা তটিনীকে। সিনেমার গল্প ও চিত্রনাট্য লিখেছেন নুসরাত ইসলাম মাটি ও পিপলু আর খান।

Posted ৭:৩৭ এএম | সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫
দৈনিক গণবার্তা – গণমানুষের আওয়াজ | Gano Barta


