

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
ইয়েমেনে হুথিদের ওপর বিমান হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন যে, লোহিত সাগরের জাহাজগুলোতে হামলার জন্য হুথিদের ওপর হামলা চালানো হবে। তার এমন সতর্কতার পরই ইয়েমেনে বিমান হামলা চালানো হয়। এতে কমপক্ষে ২৩ জন নিহত হয়েছে।
গাজা উপত্যকায় সম্পূর্ণ অবরোধ জারি করেছে ইসরায়েল। ফলে সেখানে কোনো ধরনের খাদ্যদ্রব্য, পানি বা ওষুধ সরবরাহ করা যাচ্ছে না। ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে তাই হুথিরা লোহিত সাগরে ইসরায়েলি জাহাজগুলোতে পুনরায় আক্রমণ শুরু করার হুমকি দেওয়ার পরেই যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালো।
হুথি সংগঠনের মুখপাত্র মোহাম্মদ আব্দুল-সালাম এক বিবৃতিতে অভিযোগ করে বলেছেন, জনমতকে প্রভাবিত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলের হুমকির বিষয়টি অতিরঞ্জিত করছে।
সংগঠনের রাজনৈতিক ব্যুরোর পক্ষ থেকেও একটি পৃথক বিবৃতি জারি করা হয়েছে। ওই বিবৃতিতে রাজধানী সানার ওপর বিশ্বাসঘাতক মার্কিন আগ্রাসনের নিন্দা করা হয়েছে এবং আবাসিক এলাকা ও বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করাকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ বলে অভিহিত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে যে, ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি ইয়েমেনের সংহতির অবস্থানের প্রতিক্রিয়া হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তবে তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে, তাদের দেশের বিরুদ্ধে মার্কিন আগ্রাসন ফিলিস্তিনের প্রতি ইয়েমেনের সমর্থন অব্যাহত রাখা এবং গাজার প্রতি তাদের বাধ্যবাধকতা পূরণ থেকে বিরত রাখতে পারবে না। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে, এই আগ্রাসনের জবাব দেওয়া হবে এবং ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী এই হামলা প্রতিহতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
হুথি সমর্থিত আল মাসিরাহ টিভি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইয়েমেনের সাদা এলাকায় যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় ১০ জন নিহত হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছে আরও ১৩ জন। নিহতদের মধ্যে চার শিশু এবং এক নারী রয়েছে। এছাড়া রাজধানী সানায় আরও ১৩ জন নিহত হয়েছে।

Posted ৩:৪০ পূর্বাহ্ণ | রবিবার, ১৬ মার্চ ২০২৫
hacked by trenggalek6etar | Gano Barta


