

স্পোর্টস ডেস্ক : রংপুরের ১৬৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই হুঁচট খেতে হয়েছে কুমিল্লাকে। তবে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের ব্যাটে এরপর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা চালায় কুমিল্লা। তবে দু’জনের কেউই ব্যাট চালাননি আগ্রাসী মেজাজে। যার দায়টা কুমিল্লাকে চুকাতে হয়েছে ম্যাচ হারে। শেষদিকে বলের সঙ্গে রানের ব্যবধানটা অনেক বেড়ে যাওয়ায় চেষ্টা চালিয়েও শেষ পর্যন্ত পেরে উঠেননি তাওহিদ হৃদয় ও জাকের আলীরা। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের ম্যাচ হারতে হয়েছে ৮ রানের ব্যবধানে। তাও ৪ উইকেট হাতে রেখে।
এদিন ১৬৫ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে রানের খাতাই খুলতে পারেননি ভিক্টোরিয়ান্স অধিনায়ক লিটন দাস। শুরুর ধাক্কা সামাল দিতে রয়েসয়ে ব্যাট চালায় আরেক ওপেনার মোহাম্মদ রিজওয়ান। অপরপ্রান্তে অঙ্কনও ছিলেন ধীর গতির। ফলে পাওয়ার প্লেতে মাত্র ৩৬ রান আসে স্কোরবোর্ডে। এরপর চাপ বাড়িয়ে ২১ বলে ১৭ রান করে সাজঘরে ফিরেন রিজওয়ান।
তবে তাওহিদকে নিয়ে দলকে টানছিলেন অঙ্কন। দেখাচ্ছিলেন জয়ের আশাও। তবে সেই আশাও একটা সময় ফিকে হতে শুরু করে ব্যাট হাতে তিনি আগ্রাসী না হতে পারলে। ফিফটি পেলেও তা ছিল না যথেষ্ট কার্যকর। ৫৫ বলে তার করা ৬৩ রান কেবলই দলের বাকি ব্যাটারদের ওপর চাপ বাড়িয়েছে। তবে চেষ্টাটা চালিয়ে গিয়েছিলেন তাওহিদ। যদিও শেষ পর্যন্ত পেরে উঠেননি তিনি। বলের সঙ্গে রানের ব্যবধানটা এতোটাই বেড়ে গিয়েছিল একটা সময়। যে প্রায় প্রতি বলেই বাউন্ডারি হাঁকাতে হতো তাকে। সেই চাপেই ২৮ বলে ৩৯ রান করে রান আউটের ফাঁদে পড়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাকে। এরপর জাকের আলী ৪ বলে ১৮ রানের বিধ্বংসী এক ইনিংস খেলেও ম্যাচ জেতাতে পারেননি দলকে। তার দল কুমিল্লা ম্যাচ হেরেছে ৮ রানে।
এর আগে কুমিল্লার বিপক্ষে সিলেটে মঙ্গলবার দিনের প্রথম ম্যাচে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় রংপুর। ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি ব্রান্ডন কিং। মাত্র ১৪ রান করে সাজঘরে ফিরতে হয়েছে তাকে। বাবর আজমও ছিলেন সাদামাটা। ৩৬ বলে ৩৭ রান করেছেন তিনি। তবে শেষদিকে তা পুষিয়ে দিয়েছেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। তার ২০ বলে অপরাজিত ৩৬ রানের ইনিংস ও নুরুল হাসানের ৬ বলে করা অপরাজিত ১৫ রানে ভর করে ৫ উইকেটে স্কোরবোর্ডে ১৬৫ রান জমা করে রংপুর। এদিনও ব্যাট হাতে দেখা যায়নি সাকিবকে।

Posted ৩:৫৫ পূর্বাহ্ণ | বুধবার, ৩১ জানুয়ারি ২০২৪
hacked by trenggalek6etar | Gano Barta


