

রায়হান উদ্দিন নিজামী : চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার দারুল আরকাম একাডেমি দাখিল মাদ্রাসার এক খণ্ডকালীন শিক্ষকের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দাবি, যোগদানের সময় তিনি যে শিক্ষাগত তথ্য প্রদান করেছিলেন, তার সমর্থনে প্রয়োজনীয় সনদপত্র পরবর্তীতে দাখিল করতে পারেননি।
প্রাপ্ত নথি অনুযায়ী, মুহাম্মদ হাসান ১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রিস্টাব্দে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তাঁর যোগদানপত্রে উল্লেখ করা হয়, তিনি ২০১৮ সালে আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম থেকে ইংরেজি বিষয়ে স্নাতক এবং একই বছরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলামিক স্টাডিজ বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন।
তবে মাদ্রাসা সূত্রের দাবি, দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের কাছ থেকে ইংরেজি বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রির সনদপত্র সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় ৩ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে মাদ্রাসার সুপার তাঁকে লিখিত শোকজ করেন। শোকজে ৯ জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা এবং ইংরেজি বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রির সনদপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
কর্তৃপক্ষের দাবি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা এবং চাওয়া সনদপত্র দাখিল করা হয়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিকভাবে পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মুহাম্মদ হাসানের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও এই প্রতিবেদন প্রস্তুতের সময় তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ভবিষ্যতে তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার সত্যতা যাচাই ও নথি সংরক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করেন। এই ঘটনার পর প্রতিষ্ঠানটির নিয়োগ প্রক্রিয়া ও নথি যাচাই ব্যবস্থাও আলোচনায় এসেছে।

Posted ৫:১৭ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬
hacked by trenggalek6etar | Gano Barta


