

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ক্রয় রসিদ (রিসিভ) ছাড়া সার পরিবহনের সময় এক কৃষক ও ক্ষুদ্র সার ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৭ বস্তা সার জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। জব্দ করা সারের মধ্যে ৫ বস্তা ইউরিয়া ও ২ বস্তা পটাশ রয়েছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার বাগভান্ডার বিজিবি ক্যাম্পের সামনে এ ঘটনা ঘটে। শনিবার (২৯ আগস্ট) বিষয়টি স্থানীয়ভাবে জানাজানি হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাথরডুবি ইউনিয়নের মইদাম গ্রামের মৃত শাহেদ আলীর ছেলে মাইদুল প্রায় ১৫ বিঘা জমিতে চাষাবাদ করেন। পাশাপাশি মইদাম বাজারে সার ও কীটনাশকের ছোট ব্যবসা করেন তিনি।
স্থানীয়দের দাবি, নিজের জমিতে সার প্রয়োগের প্রয়োজন হলেও এলাকায় প্রয়োজনীয় সার না পাওয়ায় পাশের উপজেলা নাগেশ্বরীর এক আত্মীয়ের সারের দোকান থেকে ৫ বস্তা ইউরিয়া ও ২ বস্তা পটাশ সংগ্রহ করেন মাইদুল। পরে ওই সার নিয়ে ভূরুঙ্গামারীর দিকে ফেরার পথে বাগভান্ডার বিজিবি ক্যাম্পের সামনে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় সার কেনার রসিদ দেখাতে না পারায় ৭ বস্তা সার জব্দ করা হয় বলে স্থানীয়রা জানান।
ঘটনার বিষয়ে মাইদুলের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আব্দুল লতিফ বলেন, “ঘটনাটি সম্পর্কে আমি অবগত। মাইদুল প্রায় ১৫ বিঘা জমি আবাদ করেছে। পাশাপাশি সে কীটনাশকের দোকান এবং ছোট পরিসরে সার বিক্রির ব্যবসাও করে। সার আটকের পর সে জমির কাগজপত্র নিয়ে এসেছিল। কিন্তু তাকে সার ফেরত দেওয়া হয়নি। যেখান থেকে সার নিয়ে এসেছে, তার সঙ্গেও কথা বলেছি। তিনি জানিয়েছেন, মাইদুল তার আত্মীয়। জমিতে সার প্রয়োজন হওয়ায় স্থানীয়ভাবে সার না পেয়ে তার কাছ থেকে সার নিয়ে গেছে।”
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন-১৫ বিজিবির বাগভান্ডার ক্যাম্পের সুবেদার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “নিয়মিত টহলরত অবস্থায় ক্যাম্পের সামনে সড়কে সার পরিবহনের সময় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ক্রয়ের রসিদ না থাকায় সারগুলো জব্দ করে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।”

Posted ৬:০৪ অপরাহ্ণ | রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক গণবার্তা – গণমানুষের আওয়াজ | Gano Barta


