স্টাফ রিপোর্টার :
ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের দাম লিটার প্রতি ১ টাকা করে কমানো হয়েছে। ডিজেল ও কেরোসিন লিটার প্রতি ১ টাকা কমিয়ে ১০৪ টাকা এবং অকটেন ১২৫ টাকা, পেট্রোল ১২১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ এপ্রিল) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে নতুন দর ১ মে থেকে কার্যক্রম করার কথা বলা হয়েছে।
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য হ্রাস/বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতিমাসে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করে আসছে নির্বাহী বিভাগ। নির্বাহী আদেশে এভাবে দাম সমন্বয় নিয়ে রয়েছে প্রবল আপত্তি।
আইএমএফ এর চাপসহ নানা কারণে সরকার জ্বালানি তেলের দামে ভর্তুকি প্রদান থেকে বের হয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেয়। ২০২৩ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি “জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকা” প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়। ওই ফর্মুলা অনুযায়ী প্রতিমাসে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে দাম সমন্বয় করার কথা। গেজেট অনুযায়ী বিপিসি ও অন্যদের কমিশন অপরিবর্তিত থাকবে শুধু আমদানি মূল্যের তারতম্য প্রতিমাসে কমবেশি হবে।
অকটেন ও পেট্রোল ব্যক্তিগত যানবাহনে অধিক পরিমাণে ব্যবহৃত হয় বিধায় এর মূল্য বিলাস দ্রব্য (লাক্সারি আইটেম) হিসেবে সব সময় ডিজেলের চেয়ে বেশি রাখা হয়। ফর্মুলা অনুযায়ী অকটেন এর মূল্য নির্ধারণকালে ডিজেল এর সাথে পার্থক্য লিটার প্রতি ন্যূনতম ১০ টাকা যেন থাকে সে জন্য প্রাইসিং ফর্মুলায় ‘α’ ফ্যাক্টর বিবেচিত হবে।
জ্বালানি তেলের দাম নজীর বিহীনভাবে বাড়ানো হয় ২০২২ সালের ৫আগস্ট রাতে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) জারি করা আদেশে ডিজেল ও কেরোসিন লিটার প্রতি ৩৪ টাকা এবং পেট্রল ও অকটেনে ৪৬ টাকা দাম বাড়ানো হয়েছিল। তখন ডিজেল ও কেরোসিনের দাম ১১৪ টাকা লিটার, পেট্রোল ১৩৫টাকা এবং অকটেন ১৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। ওই দাম বৃদ্ধির পর গণপরিবহনের ভাড়া বাড়ানো হয় ২২ শতাংশ হারে। তারপুর্বে ২০২১ সালের নভেম্বর প্রতি লিটার ডিজেল ও কেরোসিনের মূল্য ৬৫টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০ টাকায় করা হয়। ওই সময়েও পরিবহন ভাড়া বাড়ানো হয় প্রায় ২৭ শতাংশ।