বৃহস্পতিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২, ৭ আশ্বিন ১৪২৯, রাত ৮:০৩
শিরোনাম :
জাতিসংঘে পদ্মা সেতুর ওপর আলোকচিত্র প্রদর্শনী পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর ১৪ দলীয় জোট সক্রিয় ও সম্প্রসারণ করতে হবে : ইনু ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট সংকট মোকাবেলায় বৈশ্বিক সংহতির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ইষ্টার্ণ রিফাইনারীতে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ টেকসই বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় একযোগে কাজ করতে হবে : স্পিকার সাফ জয়ী নারী ফুটবল দলকে বীরোচিত সংবর্ধণা ইসলামী ব্যাংকে উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মশালা শুরু বিএনপি আন্দোলনের নামে রাজপথে সহিংসতা ও সন্ত্রাস সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে : ওবায়দুল কাদের রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে জাতিসংঘের বলিষ্ঠ ভূমিকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মিয়ানমারের উস্কানিতে পা না দেয়ায় ঢাকার প্রশংসা কূটনীতিকদের
Logo

টেকসই বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় একযোগে কাজ করতে হবে : স্পিকার



টেকসই বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় একযোগে কাজ করতে হবে : স্পিকার
https://ganobarta.com/archives/8395

বাসস: স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, টেকসই বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সমাজের সবাইকেই একযোগে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু বিশ্ব শান্তির অগ্রদূত। বৈশ্বিক শান্তির প্রতি তাঁর অকুন্ঠ সমর্থন ছিল। তাই বিশ্ব শান্তিতে বাংলাদেশের ভূমিকা বৈশ্বিক শান্তির প্রতি বঙ্গবন্ধুর অবস্থান থেকেই অনুপ্রেরণা পায়।
আজ রাজধানীর ঢাকা সেনানিবাসস্থ সেনা মালঞ্চে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস-২০২২ উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত ‘বিশ্ব শান্তিতে বাংলাদেশের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
সেমিনারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ ‘বিশ্ব শান্তি  প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা’ বিষয়ে এবং সাবেক পররাষ্ট্র সচিব এবং রাষ্ট্রদূত শহীদুল হক ‘বিশ্ব শান্তি সংরক্ষণে বাংলাদেশের কূটনৈতিক উদ্যোগের ৫০ বছর’ সম্পর্কে বক্তব্য প্রদান করেন।
সেমিনারে লেফটেন্যান্ট জেনারেল আনোয়ার হোসেন মডারেটর হিসেবে এবং নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর আতিকুল ইসলাম সহ-আয়োজক হিসেবে বক্তব্য দেন।
ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, জনগণকে ক্ষুধা, দারিদ্য, শোষণ ও বৈষম্য থেকে মুক্ত করে শান্তি, সাম্য, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার জন্য বঙ্গবন্ধু আজীবন সংগ্রাম করেছেন। জনগণের জন্য তাঁর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রামের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল শান্তির ধারণা। ১৯৭২ সালের সংবিধানের চারটি মূল নীতিতে এ ধারণাগুলোই প্রতিফলিত হয়েছে এবং সুবিধা বঞ্চিতদের জীবনমানের ইতিবাচক পরিবর্তনের মাধ্যমেই সংবিধানের সফল প্রতিপালন সম্ভব।
তিনি বলেন, বিশ্ব শান্তি রক্ষায় যেমন কূটনীতিকদের ভূমিকা রয়েছে, তেমনি সংসদ সদস্যরাও সংসদীয় কূটনীতির চর্চা করেন। ইন্টার পার্লামেন্টারী ইউনিয়ন এবং কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনের মতো বিভিন্ন ফোরামে তারা জলবায়ু পরিবর্তন, লিঙ্গ বৈষম্য নিরসন, খাদ্য নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে সক্রিয় আলোচনার মাধ্যমে  দেশের প্রচলিত আইন এবং নীতিগুলিকে তুলে ধরেন।
স্পিকার বলেন, বিশ্ব শান্তি  প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের অধীনে পরিচালিত শান্তিরক্ষা কার্যক্রমগুলোতে বাংলাদেশের প্রশংসনীয় অবদান রয়েছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ আজ শান্তি ও সম্প্রীতির এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে।
নতুন প্রজন্মের কাছে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের সক্রিয় এবং গৌরবময় ভূমিকা উপস্থাপনের পাশাপাশি বিশ্ব শান্তি  প্রতিষ্ঠায় ভবিষ্যত চ্যালেঞ্জ তুলে ধরতে এই সেমিনার আয়োজনের জন্য আয়োজকদের এবং প্রধান দুই বক্তাকে স্পিকার ধন্যবাদ জানান। সেই সাথে দেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগত শিক্ষার্থীদের সেমিনারে প্রশ্ন-উত্তরের মাধ্যমে সরব অংশগ্রহণের জন্যও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন তিনি।
সেমিনারে নৌ ও বিমান বাহিনী প্রধানগণ, আমন্ত্রিত সংসদ সদস্যগণ, বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের সামরিক উপদেষ্টা ও ডিফেন্স এ্যাটাশে, বাংলাদেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরগণ, সশস্ত্র বাহিনী, বাংলাদেশ পুলিশ ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয় হতে আমন্ত্রিত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সাবেক সেনাবাহিনী প্রধানগণ, বাংলাদেশে অবস্থিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা, জাতিসংঘ ও জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি, বিশিষ্ট শিক্ষা ব্যক্তিত্ব, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব এবং বাংলাদেশের স্বনামধন্য বিশ্ব বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Developed by: Engineer BD Network