রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০ আশ্বিন ১৪২৯, রাত ৯:৩৬
শিরোনাম :
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা এবং উন্নত দেশ গড়ার প্রত্যয়দীপ্ত ভাষণ দেওয়ায় শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের অভিনন্দন  করোনায় আরও ৪ জনের মৃত্যু  রাজনীতির মাঠে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি থাকতে অস্থিরতা-সংঘর্ষ-সংঘাত-অশান্তির অবসান হবে না : ইনু স্বাধীনতা বিরোধীরা এখনও ষড়যন্ত্র করছে : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী যুদ্ধ বন্ধ করুন : জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতা যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনে যুব সমাজকে ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত করেন : আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্ রোহিঙ্গাদের জন্য আরও ১৭০ মিলিয়ন ডলার দেবে যুক্তরাষ্ট্র : ব্লিঙ্কেন বিশ্ব শান্তি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে পদ্মা সেতুর ওপর আলোকচিত্র প্রদর্শনী পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর ১৪ দলীয় জোট সক্রিয় ও সম্প্রসারণ করতে হবে : ইনু
Logo

মুলাদীতে অবৈধভাবে বিক্রি করা বিদ্যালয়ের সরকারি মালামাল উদ্ধার, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু



মুলাদীতে অবৈধভাবে বিক্রি করা বিদ্যালয়ের সরকারি মালামাল উদ্ধার, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু
https://ganobarta.com/archives/8291

মুলাদী (বরিশাল) প্রতিনিধি: মুলাদীতে অবৈধভাবে বিক্রি করা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সরকারি মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। ওই ঘটনায় গতকাল শনিবার বেলা ১২টায় সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রিয়াজ আলম ঘটনাস্থল গিয়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত কাজ শুরু করেন। গত শুক্রবার দুপুরের দিকে উপজেলার বাটামারা ইউনিয়নের ৬নং চরবাটামারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মালামাল নেওয়ার সময় স্থানীয়রা আটক করেন। পরে ক্রেতারা দাবি করেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আতাউর রহমান তাদের কাছে বিদ্যালয়ের পুরাতন বেঞ্চ, চেয়ার, টেবিল, জানালার গ্রিল বিক্রি করে দিয়েছেন।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও ম্যানেজিং কমিটিকে না জানিয়ে প্রধান শিক্ষক মালামাল বিক্রি করে আত্মসাতে চেষ্টা করছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। চরবাটামারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মো. সাখাওয়াত মৃধা জানান, প্রধান শিক্ষক মো. আতাউর রহমান বিদ্যালয়ের পুরাতন দরজা, বেঞ্চ, চেয়ার টেবিলসহ বিভিন্ন মালামাল গোপনে বিক্রি করে দিয়েছেন।

শুক্রবার দুপুরের দিকে ক্রেতারা প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে ভ্যান গাড়িতে করে তিনবার মালামাল নিয়ে যান। বিকেলে চতুর্থ বার মালামাল নিতে বিদ্যালয়ের সামনে এলে স্থানীয়দের নজরে পড়ে। স্থানীয় লোকজন ভ্যান ও মালামালসহ ক্রেতাদের আটক করে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিকে সংবাদ দেন।

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. জসিম উদ্দীন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিদ্যালয়ের পুরাতন মালামাল বিক্রির বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। প্রধান শিক্ষক মো. আতাউর রহমান গোপনে বিদ্যালয়ের মালামাল ফেরিওয়ালাদের কাছে বিক্রি করে আত্মসাতের চেষ্টা করেছিলেন। এবিষয়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা হবে।

উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মাদ রিয়াজ আলম বলেন, সরকারি মালামার কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া বিক্রির কোন সুযোগ নাই। চরবাটামারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তদন্তে ঘটনার প্রাথমিক ভাবে সত্যতা পাওয়া গেছে। বানীমর্দন বাজার থেকে বিক্রি হওয়ায় মালামাল উদ্ধার করে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে রাখা হয়েছে। এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আতাউর রহমান মালামাল অবৈধভাবে বিক্রির বিষয়ে অস্বীকার করে বলেন, বিদ্যালয়ে রাখা পুরাতন মালামালগুলো বিক্রির বিষয়ে আমার কিছুই জানা নাই।

Developed by: Engineer BD Network