শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ৩১ আশ্বিন ১৪২৮, সকাল ৬:৪৪
শিরোনাম :
বঙ্গবন্ধুর জন্ম হয়েছিলো বলেই আমরা বাংলাদেশ পেয়েছি – ড. হারুন অর রশিদ বিশ্বাস মুলাদীতে শারদীয় দুর্গোৎসবে আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের মতবিনিময় খুলনায় স্বদেশ ইসলামী লাইফের বিশেষ উন্নয়ন সভা ঢাকা এঞ্জেল লায়ন্স ক্লাবের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন, খাদ্য ও মাস্ক বিতরন ৪ শতাংশ সুদে ঋণ দেবে লংকাবাংলা ফাইন্যান্স টাঙ্গাইল জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত মার্কেন্টাইল ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স এর রাজশাহী বিভাগের উন্নয়ন সভা এনআরবি ইসলামিক লাইফের ব্যবসা উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত মুজিববর্ষ বধির দাবা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ এনআরবি গ্লোবাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

প্রজ্ঞাপন জারি ॥ ১৫ জুন পর্যন্ত চলাচল সীমিত

গণবার্তা রিপোর্ট ॥ করোনাভাইরাস জনিত রোগ কভিড-১৯ বিস্তাররোধ এবং পরিস্থিতির উন্নয়নে আগামী ৩০ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত জনসাধারণের চলাচল সীমিতসহ ১৫ শর্ত দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। ২৮ মে বৃহস্পতিবার ৬৬ দিনের ছুটি শেষে সরকারি ছুটি না বাড়িয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হয়।

৫, ৬, ১২ ও ১৩ জুন সাপ্তাহিক ছুটি এর অন্তর্ভুক্ত থাকবে উল্লেখ করে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনসাধারণসহ সবাইকে অবশ্যই স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে জারিকরা স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। সরকারি কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবে না।

সব সরকারি, আধাসরকরি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিসগুলো নিজ নিজ ব্যবস্থাপনায় সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে। ঝূঁকিপূর্ণ ব্যক্তি অসুস্থ কর্মচারী, সন্তান সম্ভবা নারীরা কর্মস্থলে আসা থেকে বিরত থাকবেন। এক্ষেত্রে কর্মকর্তা কর্মচারীদের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতকরণের জন্য স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে জারিকরা ১৩ দফা নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় ক্ষেত্র ছাড়া সব সভা ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে আয়োজন করতে হবে।

বিশেষ করে এ সময়ে শর্তসাপেক্ষে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত সংখ্যক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন, যাত্রীবাহী নৌযান ও রেল চলাচল করতে পারবে। তবে সর্বাবস্থায় মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে। বিমান কর্তৃপক্ষ নিজ ব্যবস্থাপনায় বিমান চলাচলের বিষয়টি বিবেচনা করবে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, ৩১মে থেকে ১৫জুন পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞাকালে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় জনসাধারণের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত থাকবে। প্রতিটি জেলার প্রবেশ ও বাইর হওয়ার পথে চেকপোস্টের ব্যবস্থা থাকবে। জেলাপ্রশাসন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় এ নিয়ন্ত্রণ সতর্কভাবে বাস্তবায়ন করবে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধকল্পে চলাচলে নিষেধাজ্ঞাকালে জনগণকে অবশ্যই ঘরে অবস্থান করতে হবে।

রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত খুব জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (প্রয়োজনীয় ক্রয় বিক্রয়, কর্মস্থলে যাতায়াত, ওষুধ ক্রয়, চিকিৎসাসেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে আসা যাবে না। তবে সর্বাবস্থায় বাইরে চলাচলের সময় মাস্ক পরিধানসহ অন্যান্য স্বাস্থবিধি মেনে চলতে হবে। অন্যথায় নির্দেশ অমানকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

নিষেধাজ্ঞাকালীন হাটবাজার, দোকান পাটে ক্রয় বিক্রয়কালে পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালন করতে হবে। শপিংমলের প্রবেশমুখে হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখতে হবে। শপিংমলে আসা যানবাহনগুলোকে অবশ্যই জীবাণুমুক্ত করার ব্যবস্থা রাখতে হবে। হাটবাজার, দোকান পাট এবং শপিংমলগুলো আবশ্যিকভাবে বিকেল ৪টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে।

আইন শৃঙ্খলা, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা কার্যে নিয়োজিত সংস্থা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, বিদ্যুৎ পানি গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস বন্দরসমুহ (স্থলবন্দর, নদী বন্দর এবং সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাকসেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভুত থাকবে।

সড়ক নৌপথে সব প্রকার পণ্য পরিবহনের কাজে নিয়োজিত যানবাহন (ট্রাক, লরি, কার্গো ভেসেল ইত্যাদি) চলাচল অব্যাহত থাকবে।

কৃষিপণ্য, সার, বীজ, কীটনাশক, খাদ্য, শিল্পপণ্য, রাষ্ট্রীয় প্রকল্পের মালামাল, কাঁচাবাজার, খাবার, ওষুধের দোকান, হাসপাতাল ও জরুরি সেবা এবং এসব সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক, নার্স ও কর্মী এবং ওষুধসহ চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বহনকারী যানবাহন ও কর্মী ,গণমাধ্যম (ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া), ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্কে নিয়োজিত কর্মীরা এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভুত থাকবে।

ওষুধ শিল্প, কৃষি এবং উৎপাদন-সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলো, উৎপাদন ও রপ্তানিমুখী শিল্পসহ সব কলকারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের নিরাপত্তা-স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করে চালু রাখতে পারবে।

নিষেধাজ্ঞাকালীন কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে না। তবে অনলাইন কোর্স/ডিস্টেন্স লার্নিং অব্যাহত থাকবে। ব্যংকিং ব্যবস্থা পূর্ণভাবে চালু করার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন...

Developed by: Engineer BD Network