মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২২, ৪ মাঘ ১৪২৮, সকাল ১০:৩৭
শিরোনাম :
মুলাদীতে শিক্ষার্থীদের অনুমতি ছাড়াই মাদরাসায় ভর্তির আবেদনের অভিযোগ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সরকার সরল উত্তরণ কৌশল প্রণয়ন করবে : প্রধানমন্ত্রী কনে দেখে ফেরার পথে প্রবাসী বরসহ নিহত-৩ এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ ৩০ ডিসেম্বর মুলাদীতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন মুলাদীতে ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক প্যাদারহাট ওয়াহেদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হলেন ওয়াহিবা আখতার শিফা প্রোটেক্টিভ লাইফ ও আইসিবি ক্যাপিটাল এর সাথে আইপিও সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর পূর্বের স্থানে বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন ‘এমভি অভিযান-১০’ লঞ্চে আগুনে প্রাণহানি ৪২, দগ্ধ ৭০: রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক

নদী ভাঙনে ঘর ভিটে হারিয়ে অসহায় রানু ও হোসেন দম্পতি

মুলাদী প্রতিনিধি: অভাব অনটনের সংসার তাদের। পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া ৬ শতাংশ জমিতে নির্মিত হয়েছিলো সরকারি ঘর। কিন্তু হঠাৎ আড়িয়ালখা নদীর ভাঙনে ঘরসহ জমি হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছেন রানু ও হোসেন হাওলাদার দম্পতি। বর্তমানে এই বৃদ্ধ দম্পতি আড়িয়ালখা নদীর পাড়ে আলীমাবাদ এলাকায় ছাপড়া তুলে বাস করছেন।

নদীর অব্যহত ভাঙনে ওই ছাপড়ায় কতদিন থাকতে পারবেন তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দিন কাটাচ্ছেন তারা। অভাব ঘুচাতে ছাগল পালন শুরু করেছিলেন। ঘর না থাকায় ছাগল নিয়ে বিপাকে পড়েছেন রানু বেগম। বৃদ্ধ স্বামী ও সংসার চালাতে প্রতিনিয়ত জীবনের সাথে যুদ্ধ করতে হচ্ছে তাকে।

রানু বেগম জানান, আড়িয়ালখা নদীর পাড়ে স্বামীর পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া ৬শতাংশ জমিতে থাকতে তারা। স্থানীয় ইউপি সদস্য ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সহযোগিতায় সেখানে সরকারি ঘর তোলা হয়েছিলো। বয়সের ভারে ন্যূব্জ স্বামী কাজ করতে না পারায় হাল ধরার চেষ্টা করেছেন তিনি। পরে সংসার চালাতে ছাগল পালন শুরু করে শ্রম আর বুদ্ধি দিয়ে এখন ৩০টি ছাগলের মালিক হয়েছেন।

রানু বেগম আরও বলেন, সরকারি ঘরে কোনমতে দিন কাটছিলো। গত বছর অক্টোবর মাসের শেষের দিকে হঠাৎ নদী ভাঙনে ঘর ও ভিটেমাটি বিলীন হয়ে যায়। পরবর্তীতে আড়িয়ালখা নদীর পাড়ে ছাপড়া তুলে স্বামীকে নিয়ে বাস করছি।

রানু বেগমের স্বামী হোসেন হাওলাদার জানান, আমি কোনো কাজ করতে পারি না। স্ত্রী খেটে কিছুটা রোজগার করার চেষ্টা করছে। তাই দিয়ে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছি। প্রচণ্ড শীতে নদীর পাড়ে থাকতে অনেক কষ্ট হচ্ছে।

বাটামারা ইউনিয়ন পরিষদের ৯নং ওয়ার্ডে সদস্য মো. মোবারক হোসেন সিকদার বলেন, বৃদ্ধ দম্পতিকে একটি সরকারি ঘর দেওয়া হয়েছিলো। নদীতে ভেঙে যাওয়ায় তারা এখন অসহায় হয়ে পড়েছেন। তাদেরকে জমিসহ একটি ঘর দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ হোসাইনী জানান, রানু বেগমের সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া হবে। প্রকৃত ভূমিহীন হয়ে থাকলে জমি ও ঘরের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন...

Developed by: Engineer BD Network