বৃহস্পতিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২১, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, বিকাল ৫:১১

লামায় টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে প্রেমিকের সাথে ২ সন্তানের জননী উধাও

জাহিদ হাসান : প্রেম মানে না বয়স না মানে কোন কিছুর বাধা, কিংবা জাতি ধর্ম বর্ণ। সবার জীবনে প্রেম আসে। কারও আগে আর কারও পরে। প্রেমে পড়লেই বাবা, মা, স্বামী, সন্তান, পরিবার কাউকেই আর মনে থাকে না। শুধু মনে হয় সেই প্রিয় মানুষটি। আর এই প্রিয় মানুষটিকে কাছে পেতেই সবকিছু ফেলে পাড়ি জমাতে ইচ্ছে হয় দূর অজানায়। এমনই একটি ঘটনা ঘটেছে বান্দরবানের লামা উপজেলার পশ্চিম লাইনঝিরি এলাকায়।

প্রেমের টানে স্বামী-সন্তান ফেলে রেখে প্রেমিকের হাত ধরে চলে গেছেন (২৮) বছর বয়সী ২ সন্তানের জননী। পরকীয়া প্রেমে আসক্ত হয়ে স্বামীর নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার নিয়ে মো. জাকের হোসেন নামে এক প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়েছে ২সন্তানের জননী আলীয়া বেগম (২৮)। (গত ৩ নভেম্বর২১) লামা সদর ইউপির ১নং ওয়ার্ডের লাইনঝিরি পশ্চিম পাড়ায়।প্রেমিক জাকের হোসেন একই ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড লাইনঝিরি পশ্চিম পাড়ার মৃত জামাল হোসেনের ছেলে।এ ঘটনায় লামা থানায় জাকের হোসেন (প্রেমিক) নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন স্বামী মো. মিজানুর রহমান।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলীয়া বেগম এর স্বামী মো. মিজানুর রহমান অভিযুক্ত প্রেমিক জাকের হোসেন এক সাথে দীর্ঘদিন বাগানে কাজ করতেন।

এরই সুবাদে বন্ধুত্ব এবং তাদের বাড়িতে আসা যাওয়া ও তার স্ত্রীর সাথে কথাবার্তা। ফলে সৃষ্টি হয় দুজনের মধ্যে প্রেম। বিষয়টি জানাজানি হলে তাদের সংসারে বিরোধ সৃষ্টি হয়। পরে তা স্থানীয়দের সহায়তায় মীমাংসা হলেও স্বামীর শাসন ও বাধাঁর অবাধ্য হয়ে ২নং বিবাদী থেকে ৭নং বিবাদীদের ইন্দনে গোপনে তারা যোগাযোগ ও মেলামেশা অব্যাহত রাখে।এবিষয়ে, স্বামী মো. মিজানুর রহমান বলেন, আমার স্ত্রী পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি শ্বশুরবাড়িতে জানাই এবং বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করতে চাইলেও ২থেকে ৭নং বিবাদীরা সিদ্ধান্ত না মানিয়া উল্টো তারা আমাকে বিভিন্ন হুমকিধমকি দেয়।তিনি আরও বলেন, আলীয়া বেগম এর সাথে বিগত ১০বছর পূর্বে আমাদের বিয়ে হয়।

আমাদের ঘরে মো. আরাফাত হোসেন (৭বছর) ও আরিয়ান (৭ মাস) ২টি পুত্র সন্তান রয়েছে। পালিয়ে যাওয়ার সময় আমার স্ত্রী বড় সন্তানকে রেখে ছোট সন্তানকে নিয়ে গেছে। সাথে আমার ঘরে গচ্ছিত রাখা ২৫ হাজার টাকা, ৮ আনা ওজনের দুটি ব্যবহারের স্বর্ণের আংটি (৩১,০০০ টাকা) ও স্থানীয় ব্র্যাক ব্যাংকের সঞ্চয় থেকে ২৫হাজার ৭শ টাকা উঠাইয়া নিয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে লামা সদর ইউপির ১নং ওয়ার্ড মেম্বার মো. সুফিয়ান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। আমি চেয়েছিলাম তাদের যে সমস্যাটা হয়েছে তা সমাধান করে সংসার ঠিক রাখার জন্য। কিন্তু বৈঠকে মেয়ে পক্ষ না বসায় তা হচ্চে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন...

Developed by: Engineer BD Network