শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ৩১ আশ্বিন ১৪২৮, ভোর ৫:২৪
শিরোনাম :
বঙ্গবন্ধুর জন্ম হয়েছিলো বলেই আমরা বাংলাদেশ পেয়েছি – ড. হারুন অর রশিদ বিশ্বাস মুলাদীতে শারদীয় দুর্গোৎসবে আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের মতবিনিময় খুলনায় স্বদেশ ইসলামী লাইফের বিশেষ উন্নয়ন সভা ঢাকা এঞ্জেল লায়ন্স ক্লাবের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন, খাদ্য ও মাস্ক বিতরন ৪ শতাংশ সুদে ঋণ দেবে লংকাবাংলা ফাইন্যান্স টাঙ্গাইল জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত মার্কেন্টাইল ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স এর রাজশাহী বিভাগের উন্নয়ন সভা এনআরবি ইসলামিক লাইফের ব্যবসা উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত মুজিববর্ষ বধির দাবা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ এনআরবি গ্লোবাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

সাহান আরা আবদুল্লাহ’র মৃত্যুতে মুলাদী উপজেলা সমিতি ঢাকা’র শোক

মুলাদী (বরিশাল) প্রতিনিধি ॥ পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটির আহবায়ক, মন্ত্রী ও বরিশাল-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য, বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর স্ত্রী, বরিশাল সিটি মেয়র সেরিনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর মা, বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সমাজসেবক বেগম সাহান আরা আবদুল্লাহ গত ৭ জুন রোববার রাত ১১টা ২০মিনিট এ ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশেষ ত্যাগ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি —————রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল প্রায় ৭২ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্বামী, তিন পুত্র, এক কন্যা ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান। বেগম শাহান আরা আব্দুল্লাহর মৃত্যুতে মুলাদী উপজেলা সমিতি ঢাকা গভীর শোক প্রকাশ করেছে। শোক প্রকাশ করে শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন মুলাদী উপজেলা সমিতি ঢাকার সভাপতি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ড. মো. হারুন অর রশিদ বিশ্বাস ও সাধারন সম্পাদক ফারুক হোসেন মোল্লাসহ সমিতির নেতৃবৃন্দ।
যুগ্ম সচিব ড. মো. হারুন অর রশিদ বিশ্বাস শোক প্রকাশ করে বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগ্নে বৌ শহীদ জননী বেগম সাহান আরা আব্দুল্লাহ ছিলেন একজন মুক্তিযোদ্ধা। ঘাতকরা তার বড় ছেলে সুকান্ত আবদুল্লাহকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হত্যা করে। সেই কালো রাতে ঢাকার ২৭ নম্বর মিন্টো রোডে শ্বশুর শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বাসভবনে পরিবারের অন্যদের সঙ্গে ছিলেন বেগম সাহান আরা আব্দুল্লাহ। তিনি নিজে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছিলেন।  তিনি ছিলেন ওই ভয়াল রাতের প্রত্যক্ষদর্শী। তাকে হারিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ একজন অভিভাবককে হারিয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন...

Developed by: Engineer BD Network