শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ৩১ আশ্বিন ১৪২৮, সকাল ৬:১১
শিরোনাম :
বঙ্গবন্ধুর জন্ম হয়েছিলো বলেই আমরা বাংলাদেশ পেয়েছি – ড. হারুন অর রশিদ বিশ্বাস মুলাদীতে শারদীয় দুর্গোৎসবে আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের মতবিনিময় খুলনায় স্বদেশ ইসলামী লাইফের বিশেষ উন্নয়ন সভা ঢাকা এঞ্জেল লায়ন্স ক্লাবের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন, খাদ্য ও মাস্ক বিতরন ৪ শতাংশ সুদে ঋণ দেবে লংকাবাংলা ফাইন্যান্স টাঙ্গাইল জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত মার্কেন্টাইল ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স এর রাজশাহী বিভাগের উন্নয়ন সভা এনআরবি ইসলামিক লাইফের ব্যবসা উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত মুজিববর্ষ বধির দাবা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ এনআরবি গ্লোবাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: সরকারের পদক্ষেপ জানতে চায় হাইকোর্ট

গণবার্তা রিপোর্ট: দেশে চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা বাস্তবায়নে সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে তা জানতে চেয়েছে উচ্চ আদালত। ১০ আগস্টের মধ্যে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিবকে এ বিষয়ে প্রতিবেদন হাইকোর্টকে জানাতে বলা হয়েছে।

এ-সংক্রান্ত একটি রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে রবিবার শুনানি নিয়ে বিচারপতি জে বি এম হাসানের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।  চিকিৎসা বর্জ্যরে বিধিসম্মত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতের তাগিদ দিয়ে ১২ জুলাই পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ড. আনিকা আলী ও মানবাধিকার সংগঠন ল’ অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশনের পক্ষে ব্যারিস্টার মো. হুমায়ুন কবির পল্লব ও ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কাউছার পরিবেশ ও বন সচিব, স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক, বন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তরসহ দেশের সব সিটি করপোরেশনের মেয়রদের উদ্দেশ্যে ই-মেইলের মাধ্যমে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়।

নোটিশে চিকিৎসা বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা- ২০০৮ এর বিধান যথাযথ বাস্তবায়নের অনুরোধ জানানো হয়।

আইনজীবীরা তখন জানান, বিধিমালা অনুযায়ী চিকিৎসা বর্জ্য এমনভাবে ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাত করতে হবে যাতে মানব স্বাস্থ্য ও পরিবেশের ওপর কোনো বিরূপ প্রভাব না পড়ে। কিন্তু করোনাভাইরাসজনিত পরিস্থিতিতে আশঙ্কা ও গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, কর্তৃপক্ষ বিধিমালা অনুযায়ী তেমন কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়নি। নোটিশে সাড়া না পেয়ে প্রতিকার চেয়ে ১৪ জুলাই হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে ই-মেইলের মাধ্যমে রিট আবেদনটি করা হয়।

ভিডিও কনফারেন্সে আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির পল্লব। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল দেবাশীষ ভট্টাচার্য্য ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল আলম।

ব্যারিস্টার হুমায়ুন কবির পল্লব দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘শুনানিতে বলেছি, করোনাভাইরাসজনিত পরিস্থিতি মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভসহ এ ধরনের সামগ্রীর ব্যবহার বেড়েছে। আগের বর্জ্য তো আছেই, এখন নতুন করে দ্বিগুনেরও বেশি বর্জ্য বাড়ছে। যদি সঠিক ব্যবস্থাপনা না হয় তাহলে মানুষের স্বাস্থ্য ও পরিবেশ দূষণ বেড়ে যাবে। আদালত মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা বাস্তবায়নের সরকারের পদক্ষেপের বিষয়ে আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে বন ও পরিবেশ সচিবকে প্রতিবেদন দিতে বলেছেন।’

সংবাদটি শেয়ার করুন...

Developed by: Engineer BD Network