

মুলাদী প্রতিনিধি : মুলাদী-মীরগঞ্জ ফেরিঘাটে ট্রিপ বাড়ানোর দাবী হিজলা, মুলাদী উপজেলা ও কাজিরহাট থানার ভুক্তভোগী লক্ষাধিক মানুষের। জানা গেছে, মুলাদী-মীরগঞ্জ ফেরিঘাট দিয়ে প্রতিনিয়ত তিন উপজেলার হাজার হাজার লোক বরিশাল, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করে থাকে।
মীরগঞ্জ ঘাটে সন্ধা ৮:০০ বাজলেই নিয়মিত ফেরি ও ট্রলার চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। আর এর পরেই শুরু হয় রিজার্ভ ফেরি ও ট্রলারের নামে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়ার বানিজ্য। মোটা অংকের টাকার বিনিময় ট্রলারযোগে পার হতে পারলেও ফেরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অসুস্থ রোগী বহনকারী এ্যাম্বুলেন্স সহ অন্যান্য গাড়ী, বৃদ্ধ মানুষ কিংবা মালামাল নিয়ে পড়তে হয় বিপাকে। উল্লেখ্য হিজলা, মুলাদী উপজেলা ও কাজিরহাট থানার মানুষ উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা শহর বরিশালে ছুটে যান, কিন্তু বরিশালের ডাক্তার দেখিয়ে তাদের অধিকাংশ রোগীদেরই রাত ৯:০০টা বেজে যায় মীরগঞ্জ পৌছাতে পৌছাতে। আর এ সময়ই তাদের পড়তে হয় বিপাকে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থেকে মোটা অংকের টাকা দিয়ে ট্রলার যোগে অসুস্থ মানুষ নিয়ে পার হতে হয় নদী।
এ ব্যাপারে মুলাদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মোঃ গোলাম সরওয়ার এর দৃষ্টিআকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন যে, বিগত ১৯ জুলাই, ২০২৬ তারিখ অনুষ্ঠিত বরিশাল জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় হিজলা, মুলাদী উপজেলা ও কাজিরহাট থানার ভুক্তভোগী লক্ষাধিক মানুষের অসুবিধা বিবেচনা করে আমি বিষয়টি উপস্থাপন করি। তৎপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক, বরিশাল মহোদয় বরিশালের সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীকে ব্যবস্থা নিতে বলেন।
নির্বাহী প্রকৌশলী, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, বরিশাল পরবর্তী দুইদিনের মধ্যে মুলাদী-মীরগঞ্জ ফেরিঘাটে রাতে একটি ট্রিপ বাড়িয়ে ১০:০০ টা পর্যন্ত ফেরী চলাচলের ব্যবস্থা নিবেন মর্মে সভায় জানালেও অদ্যাবদি কেন তা বাস্তবায়ন হয়নি তা আমার জানা নেই। তবে তিনি জানান আগামী ১৬ আগস্ট, ২০২৬ তারিখ অনুষ্ঠিতব্য বরিশাল জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় বিষয়টি পুনরায় উপস্থাপন করবো।