

শাহ সাহিদ উদ্দিন : কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ৯নং গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আহাম্মেদ শুভ মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এলাকাবাসীর কাছে আলোচনায় রয়েছেন। তিনি সাবেক মরহুম মিজান চেয়ারম্যানের সন্তান। স্থানীয়দের দাবি, শত ব্যস্ততার মাঝেও আহাম্মেদ শুভ অসুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। বিশেষ করে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা দিয়ে থাকেন, যা অনেকের জন্য স্বস্তির কারণ হয়ে ওঠে।
এছাড়া স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় জরাজীর্ণ রাস্তা, ঘাট ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনের চলাচল-অযোগ্য অংশ নিজ উদ্যোগে ও নিজ অর্থায়নে সংস্কারের উদ্যোগ নিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচল সহজ করতে কাজ করেছেন তিনি। এলাকাবাসীর মতে, গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়ন ছাড়াও দেবিদ্বারের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ নানা প্রয়োজনে তাঁর পরামর্শ ও সহযোগিতা নিতে আসেন। দিনমজুর থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাঁর মানবিক আচরণ ও সহযোগিতামূলক মনোভাবের প্রশংসা করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সততা, মানবিকতা ও জনসেবার মানসিকতার কারণে আহাম্মেদ শুভ ইতোমধ্যে অনেকের আস্থা অর্জন করেছেন। গ্রামের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার আগ্রহ তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে বলেও মন্তব্য করেন তারা। তবে এসব দাবি মূলত স্থানীয়দের বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপিত হয়েছে; এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এই বিষয়ে গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আহাম্মেদ শুভ বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, জনপ্রতিনিধি হওয়ার আগে একজন ভালো মানুষ হওয়া জরুরি। তাই ব্যক্তিগত সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায়, অসুস্থ ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি।
এলাকার রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও জনদুর্ভোগ নিরসনে যেসব ছোট ছোট উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব, সেগুলোও নিজের দায়িত্ববোধ থেকেই করার চেষ্টা করেছি। আমি কোনো প্রচারের জন্য নয়, মানুষের ভালোবাসা ও দোয়া নিয়েই কাজ করতে চাই। ভবিষ্যতেও এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে আন্তরিকভাবে কাজ করে যেতে চাই। জনগণ যদি আমাকে তাদের সেবার সুযোগ দেন, তাহলে সততা, জবাবদিহিতা ও জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করব।”