

শাহীন খান : সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নিজেদের গভীর নলকূপের গ্যাসপাইপ নিজেরাই ভেঙে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর চেষ্টা এবং মিথ্যা অভিযোগ ও মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে জহুরুল ইসলাম গংদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
ভুক্তভোগীদের দাবি, রায়গঞ্জের পত্রিকার এজেন্ট মো. আমিনুল ইসলামের সঙ্গে জহুরুল ইসলাম গংদের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় আমিনুল ইসলাম ও তার পক্ষের লোকজনকে হয়রানি এবং সামাজিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যে গভীর নলকূপের গ্যাসপাইপ ভাঙচুরের মিথ্যা অভিযোগ তোলা হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেলে চান্দাইকোনা বাজারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মো. আমিরুল ইসলাম, দুল্লা শেখ, মোন্নাফ শেখ, সোহেল রানা, মো. জাকির হোসেন ও সাইদুল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, বিটিডিসি পরিচালিত রায়গঞ্জ উপজেলার ধামাইনগর ইউনিয়নের কোমরপুর মৌজায় অবস্থিত এসআর-১৮৯ নম্বর গভীর নলকূপের ৬টি গ্যাসপাইপ ভাঙচুরের ঘটনায় তারা বা তাদের পরিবারের কোনো সদস্য জড়িত নন। জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছে।
লিখিত বক্তব্যে তারা আরও দাবি করেন, অভিযোগকারীরাই নিজেদের গ্যাসপাইপ নিজেরাই ভেঙে প্রতিপক্ষের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করছেন। পরে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে মামলা দেওয়ার ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, গভীর নলকূপের ৬টি গ্যাসপাইপ ভেঙে ফেলার অভিযোগ এনে কয়েকজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু ওই অভিযোগের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্ত করা হলে সত্য বেরিয়ে আসবে।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগকারীরাই গভীর নলকূপটি পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাই গ্যাসপাইপ ভাঙচুরের ঘটনায় প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে দায়ীদের শনাক্ত এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিতরা বলেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে হয়রানি করা হচ্ছে। তারা এ ধরনের হয়রানি বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এবং নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানান।