

দিনাজপুরে নবাবগঞ্জে গরুর মাংস বলে বিক্রির উদ্দেশ্যে ৬ টি ঘোড়া জবাইয়ের ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনায় প্রত্যেককে এক বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় জব্দ করা হয়েছে ১২ মণ ঘোড়ার মাংস।শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার গাজীপুর এলাকার একটি সুপারি বাগানের পরিত্যক্ত গোডাউনের নির্জন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিল্লুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন সকালে সংবাদ পেয়ে তারা নবাবগঞ্জ উপজেলার একটি সুপারি বাগানে গিয়ে দেখেন কয়েকজন ব্যক্তি ঘোড়া জবাই করে বিক্রির উদ্দেশ্যে মাংস প্রস্তুত করতে ছিলো। এ সময় তারা ৬ টি ঘোড়ার ১২ মন মাংস জব্দ করে। এ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে ৩ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ অভিযোগে প্রত্যেককে এক বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন নেত্রকোনা জেলার আব্দুল্লাহ (৩৪) নীলফামারী জেলার রবিউল ইসলাম (৩৩) এবং রংপুর সদর উপজেলার রুবেল মিয়া (৩৬)এ সময় জব্দকৃত ১২ মণ ঘোড়ার মাংস মাটিতে পুঁতে নষ্ট করার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীরা জানান,আমরা সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পাই গাজীপুরে সুপারি বাগানে কয়েকজন ব্যক্তি ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রি করছে। সংবাদ পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি,কোথাও ঘোড়ার পা,কোথাও ভুঁড়ি,আবার কোথাও ঘোড়ার মাথা রাখা আছে। অসংখ্য মানুষ জায়গাটি ঘিরে রেখেছে। বিষয়টি দেখে আমরা খুব আশ্চর্য হয়ে যাই।এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয়রা,এ সময় সচেতন নাগরিকরা বলেন অসাধু চক্র এভাবে মানুষকে কী খাওয়াচ্ছে,প্রশাসনের তা গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার বলে অভিমত প্রকাশ করেন।কারণ গরুর মাংস বলে কীভাবে মানুষ ঘোড়ার মাংস বিক্রি করে মানুষের দিন দিন মনুষত্ব কতটা নিচে নামতে পারে তানা দেখে বুঝা বড় কঠিন,দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে এই চক্রটিকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দাবি জানান দেশবাসী।