শুক্রবার, ১২ আগস্ট ২০২২, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৯, সকাল ৭:০২
শিরোনাম :
বঙ্গবন্ধুর মাজারে বাংলাদেশ সম্পাদক ফোরামের শ্রদ্ধা নিবেদন জাতীয় শোক দিবসে পতাকা উত্তোলন বিষয়ক নির্দেশনা দেশের সমুদ্র বন্দরসমূহে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত গৃহহীনদের ঘর দেওয়া বর্তমান সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ : পরিকল্পনামন্ত্রী তাজিয়া মিছিলের মধ্য দিয়ে পবিত্র আশুরা পালিত  স্বাধীনতা সংগ্রামে বঙ্গমাতার নেপথ্য ভূমিকা তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী আগামী দিনের নারীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবেন বঙ্গমাতা: স্পিকার  নির্বাচন হতে না দেয়ার আস্ফালন করে লাভ নেই : ওবায়দুল কাদের ওয়ান ব্যাংক ও ম্যাক্সিস সিস্টেমসের চুক্তি স্বাক্ষর বঙ্গমাতার জন্মদিনে জনতা ব্যাংকের দোয়া মাহফিল
Logo

কুমারখালী পদ্মা নদীর ভাঙ্গন ঝুঁকিতে কুঠিবাড়ীসহ ৬ টি গ্রাম



কুমারখালী পদ্মা নদীর ভাঙ্গন ঝুঁকিতে কুঠিবাড়ীসহ ৬ টি গ্রাম
https://ganobarta.com/archives/1167

মোশাররফ হোসেন, কুমারখালী (কুষ্টিয়া) থেকে : কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের কোমরকান্দি এলাকার পদ্মা নদীর দেড় কিলোমিটার এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে করে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত কুঠিবাড়ী ও কোমরকান্দি, কান্দাবাড়িয়া,জাহেদপুরে,বেলগাছিসহ ৬ টি গ্রাম চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। কুঠিবাড়ী রক্ষায় পদ্মা নদী পাড়ের প্রধান অংশ দেড় কিলোমিটার ব্যতিরেখে দুইপাশে প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করায় এমন আগাম নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে, স্থানীয়দের অভিযোগ।
নদী ভাঙ্গনের খবর পেয়ে সোমবার সকালে ভাঙন এলাকা ঘুরে- ঘুরে পরিদর্শন করেন কুষ্টিয়া পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী পীযূষ কৃষ্ণ কুন্ডু,কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজীবুল ইসলাম খান,উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাহমুদুল ইসলাম,শিলাইদহ ইউপি চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন খান তারেক।

সরেজমিন গেলে স্থানীয়রা জানান, বর্ষার শুরুতে নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে।ঘনঘন বৃষ্টি আর বাতাসে কোমরকান্দির জালাল সর্দারের বাড়ি থেকে জলা প্রামাণিকের বাড়ি পর্যন্ত ভেঙে পড়ছে নদীর পাড়।ভাঙনের আতঙ্কে নিয়ে জীবন পার করছেন তারা।

ভুক্তভোগী জালাল সর্দার জানান,ভাঙনের জন্য দুইবার ঘর সরিয়ে নিয়েছি।আবারও নদী ভাঙতে ভাঙতে ঘরের কিনারে চলে আইছে।গরীব মানুষ বারবার ঘর সরানোর টাকা কই পাব।সুফিয়া খাতুন জানান,পানির শব্দে রাতে ঘুম হয়না।কখন যেন ভেঙে চলে যায়।এক বাঁধ নির্মাণ করা হলে আমরা বেঁচে যেতাম।

এবিষয়ে শিলাইদহ ইউপি চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন খান তারেক জানান, এবছর আগাম পাড় ভাঙন শুরু হয়েছে পদ্মা নদীতে।ভাঙন রোধ না করা হলে হাজার হাজার বিঘা কৃষিজমি,ঘর-বাড়ি সহ ৬ টি গ্রাম নদীগর্ভে বিলিন হয়ে যাবে।তিনি আরো জানান, কুঠিবাড়ী প্রতিরক্ষা হিসেবে প্রায় চার কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ হলেও মাঝখানে দেড় কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ না হওয়াই রক্ষা পাইনি কুঠিবাড়ী।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজীবুল ইসলাম খান জানান,ভাঙন এলাকা ঘুরে ঘুরে পরিদর্শন করা হয়েছে। ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুষ্টিয়া পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী পীযূষ কৃষ্ণ কুন্ডু জানান,শিলাইদহ কুঠিবাড়ী রক্ষায় একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।ভাঙন বেশি হওয়ায় শিলাইদহ এলাকায় ১ হাজার মিটার ও সুলতানপুর এলাকায় ২ হাজার ৭২০ মিটার প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে।তিনি আরো জানান,দুই বাঁধের মাঝে দেড় কিলোমিটার অংশে হঠাৎ ভাঙন শুরু হয়েছে।তবে ভাঙন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন...

Developed by: Engineer BD Network