

মোঃ মিকাইল হোসেন : ঢাকা-১০ আসনের ১৪, ১৫ ও ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের উন্নয়ন ও নাগরিক সেবাকে আরও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ফেরদৌসী আহমেদ। স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশা, নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি এবং একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও সুন্দর পরিবেশ গড়ে তোলাকে তিনি তাঁর অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরেছেন।ফেরদৌসী আহমেদের পরিকল্পনায় উন্নয়ন শুধু রাস্তা-ঘাট নির্মাণ বা অবকাঠামোগত পরিবর্তনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন, নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা, নাগরিকদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত সেবা দেওয়ার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
নারী ও শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি, রাস্তা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর অপরাধের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা ও প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন।এলাকার অসহায়, বয়স্ক ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর পরিকল্পনার কথাও উঠে এসেছে তাঁর বক্তব্যে। শিক্ষার্থী ও তরুণদের জন্য খেলাধুলা এবং সুস্থ বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি, নাগরিক সেবা সহজ ও জনবান্ধব করা এবং এলাকাবাসীর অভিযোগ ও প্রয়োজন সরাসরি শুনে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেছেন তিনি।
স্থানীয়দের একাংশের মতে, মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে কাজ করার মানসিকতা এবং এলাকার বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কথা বলার আগ্রহ ফেরদৌসী আহমেদের ইতিবাচক দিক। তাঁদের প্রত্যাশা, দায়িত্ব পাওয়ার সুযোগ হলে তিনি পরিকল্পিত উন্নয়ন ও নাগরিক সেবাকে আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেবেন।ফেরদৌসী আহমেদ বলেন, এলাকার উন্নয়ন মানে শুধু অবকাঠামো নির্মাণ নয়; মানুষের নিরাপত্তা, স্বস্তি, নাগরিক অধিকার ও জীবনমানের উন্নয়নও এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিনি ১৪, ১৫ ও ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও আধুনিক পরিবেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা—নির্বাচনের সময়ের প্রতিশ্রুতির বাইরে সারা বছর মানুষের পাশে থেকে নাগরিক সমস্যা চিহ্নিত ও সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন জনপ্রতিনিধিরা। সেই প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফেরদৌসী আহমেদের পরিকল্পনাগুলোও আলোচনায় এসেছে স্থানীয় পর্যায়ে।