রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ২৮ চৈত্র ১৪২৭, সকাল ৬:৪৪
শিরোনাম :
মুলাদীতে থানা পুলিশের উদ্যোগে মাস্ক বিতরণ শিশুদের জীবনকে আলোকিত ও সুন্দর হিসেবে গড়ে তুলুন : প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও কর্ম থেকে রাজনীতিবিদদের শিক্ষা নেয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে দশ দিনের কর্মসূচি আজ থেকে শুরু মুলাদীতে শিশুদের জন্য ব্যতিক্রম কর্মসূচি ‘রং তুলিতে বঙ্গবন্ধু’ বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ স্বাধীনতা সংগ্রামের বীজমন্ত্র ৭ই মার্চের ভাষণে নিরস্ত্র বাঙালি সশস্ত্র বাঙালিতে পরিণত হয়েছিলো: তথ্য মন্ত্রী করোনা মোকাবিলায় শীর্ষ তিনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে শিক্ষাকে বহুমাত্রিক করতে কাজ করছে : প্রধানমন্ত্রী গবেষণা ও বিজ্ঞানের বিবর্তন দেশের উন্নয়নে অপরিহার্য : প্রধানমন্ত্রী

কে হচ্ছেন ১৪ দলের মুখপাত্র, ঠিক করবেন প্রধানমন্ত্রী

গণবার্তা রিপোর্ট ॥ সদ্য প্রয়াত ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিমের স্থলাভিষিক্ত কে হচ্ছেন তা নিয়ে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে নানা গুঞ্জন চলছে। নেতাকর্মীরা দলের উপদেষ্টা পরিষদের দুই সদস্য, প্রেসিডিয়ামের দুই সদস্য এবং আওয়ামী লীগের মধ্যম সারির কয়েক নেতাকে নিয়েও আলোচনা করছেন। এ ছাড়া ১৪ দলীয় শরিক দলের একজন নেতার নামও আলোচনায় রয়েছে। তবে আওয়ামী লীগের শীর্ষ মহলে এখনো এ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। শীর্ষ নেতারা বলছেন, বিষয়টি একেবারেই প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। তিনি যখন মনে করবেন তখনই ১৪ দলের মুখপাত্রের বিষয়টি পরিষ্কার হবে।
তৎকালীন বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের জোট হিসেবে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ২৩ দফার ভিত্তিতে ২০০৪ সালে গঠন করা হয় ১৪ দল। সে সময় জোটের সমন্বয়ক করা হয় আব্দুল জলিলকে। এরপর ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে ১৪ দলের সমন্বয়কের দায়িত্ব পান দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। সাজেদা চৌধুরী অসুস্থ হয়ে পড়লে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিমকে ১৪ দলের মুখপাত্র করা হয়। সেই থেকে আমৃত্যু পর্যন্ত তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।
২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় অসার পর ১৪ দলের শরিকদেরও পুরস্কৃত করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি মন্ত্রী করেন সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়াকে। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এবং জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুও মন্ত্রিসভায় জায়গা পান। আন্দোলনের মিত্র থেকে ১৪ দলের শরিকরা সরকারের অংশীদার হয়ে পড়ে। পুরো সময়টাতে শক্ত হাতে জোটের নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন মোহাম্মদ নাসিম।
আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নেতাকর্মীদের মধ্যে যাদের নিয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে তারা হলেন- উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরীর নাম।
আবার অনেকে বলছেন, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুর রহমানের নাম।
এদিকে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রমের নাম। শরিকদের কেউ কেউ জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর নামও উচ্চারণ করছেন।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফর উল্যাহ বুধবার ১৭ জুন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘১৪ দলের মুখপাত্র আমাদের কাছে এখন মুখ্য বিষয় নয়, দেশের মানুষ মরছে, এ সময় মুখপাত্রের বিষয়টি কী খুব জরুরি? নির্বাচন ছাড়া ১৪ দলের কী কোনো ভূমিকা ছিল? দেশের মানুষ যখন মারা যাচ্ছে এমন দুঃসময়ে ১৪ দলের মুখপাত্র নিয়ে আপনারা এতো ইন্টারেস্টেড কেন? আবার যখন নির্বাচন আসবে তখন ১৪ দলের প্রয়োজন হবে। আর মুখপাত্রের বিষয়টি ঠিক করবেন দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।’

দলের আরেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমি কিছু জানি না। কোনো আলোচনাও হয়নি আমাদের সঙ্গে। এ বিষয়ে সম্পূর্ণ এখতিয়ার আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার’।

Developed by: NEXTZEN LIMITED