রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ২৮ চৈত্র ১৪২৭, সকাল ৭:২০
শিরোনাম :
মুলাদীতে থানা পুলিশের উদ্যোগে মাস্ক বিতরণ শিশুদের জীবনকে আলোকিত ও সুন্দর হিসেবে গড়ে তুলুন : প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও কর্ম থেকে রাজনীতিবিদদের শিক্ষা নেয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে দশ দিনের কর্মসূচি আজ থেকে শুরু মুলাদীতে শিশুদের জন্য ব্যতিক্রম কর্মসূচি ‘রং তুলিতে বঙ্গবন্ধু’ বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ স্বাধীনতা সংগ্রামের বীজমন্ত্র ৭ই মার্চের ভাষণে নিরস্ত্র বাঙালি সশস্ত্র বাঙালিতে পরিণত হয়েছিলো: তথ্য মন্ত্রী করোনা মোকাবিলায় শীর্ষ তিনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে শিক্ষাকে বহুমাত্রিক করতে কাজ করছে : প্রধানমন্ত্রী গবেষণা ও বিজ্ঞানের বিবর্তন দেশের উন্নয়নে অপরিহার্য : প্রধানমন্ত্রী

করোনায় মারা গেলেন শাকিব খানের প্রথম পরিচালক টুলু

চিত্রপরিচালক আফতাব খান টুলু আর নেই। গত শুক্রবার করোনায় আক্রান্ত হয়ে তিনি ল্যাব এইড হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। অবস্থা খারাপ দেখে তাকে আইসিউতে নেয়া হয়। অবশেষে আজ মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে তিনি মারা যান। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন।

তার মৃতুতে শোক নেমে এসেছে চলচ্চিত্রপাড়ায়। শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি, প্রযোজক সমিতিসহ সিনেমাসংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো।

আফতাব খান টুলু দীর্ঘদিন ধরেই ঢাকার মোহম্মদপুরে শেখেরটেকের ১ রোডে স্ত্রী সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। টুলু বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সদস্য ছিলেন। ঢাকাই সিনেমায় এ সময়ের শীর্ষ নায়ক শাকিব খান তার সিনেমা দিয়েই নায়ক হিসেবে বড় পর্দায় আসেন।

তার পরিচালিত সিনেমা ‘সবাই তো সুখে হতে চায়’ ছিল শাকিব খানের প্রথম সিনেমা। এতে শাকিবের বিপরীতে ছিলেন নবাগতা কারিশমা শেখ। তবে শাকিব খান অভিনীত প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত ‘অনন্ত ভালোবাসা’।

উল্লেখ্য, আফতাব খান টুলু পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘দায়ী কে?’। এটি ১৯৮৭ সালে মুক্তি পায়। সে ছবির গল্প, চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন যৌথভাবে এটিএম শামসুজ্জামান ও কাজী হায়াৎ। ছবিটি প্রযোজনা ও পরিবেশনা করেছে ব্যতিক্রম চলচ্চিত্র। এতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন এটিএম শামসুজ্জামান, ইলিয়াস কাঞ্চন, অঞ্জু ঘোষ, আনোয়ার হোসেন এবং রাজ। চলচ্চিত্রটি ১৯৮৭ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে মুক্তি পায়।

ছবিটি দর্শক ও সমালোচকদের কাছে দারুণভাবে প্রশংসিত হয়। ১২তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে এটিএম শামসুজ্জামান শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে ও কাজী হায়াৎ শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার বিভাগে পুরস্কার লাভ করেন এই ছবির জন্য। বাচসাস চলচ্চিত্র পুরস্কারেও যথাক্রমে শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা ও শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার বিভাগে পুরস্কার লাভ করে এই ছবি।

এছাড়াও টুলুর উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে ছিল দুনিয়া, ফুল আর কাঁটা, সতীপুত্র আবদুল্লাহ, আমার জান, ভালোবাসা ভালোবাসা, সবাই তো সুখী হতে চায় প্রভৃতি।

Developed by: NEXTZEN LIMITED